
জামাল মিয়া, বিশ্বনাথ (সিলেট)
জামাল মিয়া, বিশ্বনাথ (সিলেট)
সকল লেখা

বিশ্বনাথে সড়কের ওপর বাস ও সিএনজি স্ট্যান্ড, যানজটে অতিষ্ঠ পৌরবাসী
প্রবাসী অধ্যুষিত সিলেটের বিশ্বনাথ পৌর শহরে সড়কের ওপর বাস ও সিএনজি স্ট্যান্ড গড়ে ওঠায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। স্থায়ী স্ট্যান্ড না থাকায় চালকরা যত্রতত্র গাড়ি থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা করান। এতে প্রায়ই উপজেলা সদরে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়, যা স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও পথচারীদের জন্য দুর্ভোগের কারণ

গোয়াহারি বিলে মাছ শিকারের উৎসব ‘পলো বাওয়া’
সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের গোয়াহরি গ্রামের বিলে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে বার্ষিক পলো বাওয়া উৎসব। প্রতি বছরের মতো এবারের উৎসবে যোগ দিতে দেশে এসেছেন অনেক প্রবাসী। তেমনি স্বামী-সন্তান নিয়ে বাবার বাড়িতে বেড়াতে এসেছেন গ্রামের অনেক মেয়ে। পলো বাওয়া উৎসবকে কেন্দ্র করে গোয়াহর

আউশের ক্ষতি আমনে পোষাতে চান চাষিরা
সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় আমন রোপণের ধুম পড়েছে। আমনের ভালো ফলনের আশা করছেন উপজেলার কৃষকেরা। ইতিমধ্যে কৃষকেরা তীব্র গরম উপেক্ষা করে জমি প্রস্তুত করে পুরোদমে আমন রোপণ করছেন। এবার বন্যায় আউশ ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। আমন থেকে সেই ক্ষতি পোষানোর আশা চাষিদের।

অবাধে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি হওয়ায় বাড়ছে ঝুঁকি, দুর্ঘটনার আশঙ্কা
সিলেটের বিশ্বনাথ পৌর শহর ও উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের বিভিন্ন হাট-বাজার ও গ্রামে-গঞ্জে প্রায় শতাধিক গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির বিভিন্ন দোকান রয়েছে। হাতেগোনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স থাকলেও অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান সরকারি আইন ও নীতিমালার তোয়াক্কা করছেন না।

বিশ্বনাথে ১৮ বছরেও সংস্কার হয়নি এক কিলোমিটার সড়ক
প্রায় ১৮ বছরেও সংস্কার হয়নি বিশ্বনাথ দশপাইকা রোডের প্রায় এক কিলোমিটার সড়ক। গাছতলা থেকে পুরানগাঁও পর্যন্ত এক কিলোমিটার সড়কটি দিয়ে যানবাহন চলাতো দূরে থাক পায়ে হেঁটে চলাচল করাও মুশকিল। পুনরাগাঁও, বিশঘর, হাসনাজি, ধনপুরসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষের জেলা ও উপজেলায় আসা-যাওয়ার একমাত্র সড়ক এটি

ছোট গ্রামের বড় দুঃখ
চারদিকে ফসলি জমি, বাঁশঝাড় ও জঙ্গল। নেই কোনো রাস্তা। যদি কেউ এই গ্রামে যেতে চান, তাহলে এই ঘন জঙ্গল ও কাদা পাড়ি দিয়েই যেতে হবে। এই চিত্র সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার শ্রীমুখ গ্রামের।

২০ বছরের কেরোসিনের গন্ধ শোঁকার নেশা ছাড়তে ব্যাকুল সিলেটের রহিম
১২ বছর বয়স থেকে কেরোসিনের গন্ধ শুঁকে আসছেন আবদুর রহিম (৩০)। প্রায় ২০ বছরের অভ্যাসে বিষয়টি তাঁর নেশায় পরিণত হয়েছে। এত বছর পরে তিনি এই নেশা থেকে পরিত্রাণের জন্য ব্যাকুল হয়ে পড়েছেন।
